কিন্তু কেউ বলে না ..........রাজনীতিবিদ হব, পুলিশ হব , সিনেমার নায়ক হব, বিজ্ঞানী বা ব্যবসায়ী বা উদ্যোক্তা হব ।
কারণটা হয়ত সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি । যে সকল পেশার প্রতি সমাজ সম্মানের দৃষ্টিতে দেখে মেধাবীরা সেই পেশাকেই বেছে নেয় । কিন্তু একজন মেধাবীর চিন্তা কেন এতটা সাধারণ হবে, সে তো অসাধারণ মানুষ তার চিন্তা-ভাবনাগুলোও হতে হবে অসাধারণ । সে তো চাইলেই নিজেকে অন্য এক উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে এবং সমাজকে দিতে পারে এমন অনেক কিছু যেটা করা বা ভাবা অন্য করো জন্য কঠিন ।
মেধাবীরা যে সকল প্রফেশন বাছাই করতে পারে ( নিজের এবং রাষ্ট্রের কল্যানের জন্য ):
১. রাজনীতি : ছি একজন মেধাবী রাজনীতি করবে । ভাল মানুষ কি রাজনীতি করে । কম শিক্ষিত, সন্ত্রাসী ও গডফাদাররাই রাজনীতি করে । একজন উচ্চশিক্ষিত ছেলের জন্য রাজনীতি নয় । তুমি বড় চাকরী কর... সুখী হও । ভাল কথা কিন্তু রাজনীতি পেশাটা কি খারাপ । যারা রাজনীতি করছেন তার কিছু বা বেশীরভাগ রাজনীবিদ হয়ত অসৎ । কিন্তু প্রফেশন টা তো মহৎ ।
মেধাবী এবং সৎ লোক যদি রাজনীতিতে আসে তাহলেই রাজনীতির উন্নয়ন হবে ।
একজন মেধাবীকে যখন প্রশ্ন করা হয় কেন ডাক্তার হবে .... উত্তর আসে .....ডাক্তার হয়ে মানবসেবা...ও সমাজসেবা করব । কিন্তু মানবসেবাটাই যদি আসল লক্ষ্য হয় সবচাইতে ভাল প্রফেশন হল রাজনীতি । একজন ডাক্তার সেবা করে কয়েক হাজার মানুষের কিন্তু একজন রাজনীতিবিদ সেবা করতে পারে কোটি কোটি মানুষকে ।
শত শত হাসপাতাল করতে পারে, দেশের মানুষকে সঠিক পথে চালিত করে সঠিক দিক নির্দে
শনা দিয়ে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আনতে পারে, সমাজ থেকে বেকারত্ব দারিদ্র দূর করতে পারে । একজন মেধাবী জ্ঞানী, দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদ দেশকে শত বছর এগিয়ে দিতে পারে । যার উদাহরণ মালয়েশিয়ার মহাতির মোহাম্মদ , সিংগাপুরের মি. লি । মাত্র একজন রাজনীতিবিদ দরিদ্রসীমার নিচে থাকা একটি জনগোষ্ঠীকে অর্থনৈতিক সিংহে পরিণত করেছে , জাতিকে নিয়ে গিয়েছেন উন্নতির চরম শিখরে ।
আমাদের মেধাবী ছেলেরা রাজনীতিতে আসলে রাজনীতির গুণগত পরিবর্তন হবে । সততা ও দেশপ্রেমে উজ্বীবীিত মেধাবীরা রাজনীতি করলে আমরা অল্প শিক্ষিত ,অশিক্ষিত রাজনীতিবিদদের হাত থেকে মুক্তি পেতাম । মূর্খ
মানুষের পরিবর্তে জ্ঞানী মানুষরাই সামনে থেকে আমাদেরকে দিক নির্দেশনা দিতে পারত । সমাজ এবং রাষ্ট্রের প্রত্যেক ক্ষেত্রে উন্নতি ঘটত ।
ঠিক তেমনি সৎ মেধাবীরা পুলিশে আসলে দুর্নিতী বন্ধ হত । সিনেমার নায়ক হলে আমারা সার পৃথিবীতে আমাদের সংস্কৃতি ছড়িয়ে দিতে পারি।
মোট কথা হল মেধাবীদের সেই প্রফেনেই আসা উচিৎ যেই পেশাগুলি সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য অনেক বেশী গুরুত্বপূর্ণ
। তাতে সমাজ সুন্দর ও দুর্নিতীমুক্ত হবে । আমরা মেধাবীদের দিক নির্দেশনার উপর ভর করে উন্নতির চরম শিখরে যাওয়ার স্বপ্ন দেখতে পারি ।
এজন্য প্রয়োজন পাঠ্যপুস্তকে এই পেশাগুলো সম্পর্কে পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গি তৈরী করা এবং শিশুদেরকে রাজনীতিবিদ, পুলিশ, ব্যবসায়ী , উদ্যোক্ত, শিল্পি ইত্যাদি হতে উদ্ভুদ্ধ করা পাশাপাশি পারিবারিক ও সামাজিক সাপোর্ট
।
স্বপ্ন দেখি ভবিষ্যতে আমাদের দেশের ছেলেরা এইম ইন লাইফ রচনায় লিখবে ........রাজনীতি, ব্যবসায়ী , উদ্যোক্তা.......... ।